কোভ্যাক্সের টিকায় ঘাটতির শঙ্কা

ডেস্ক নিউজঃ চলতি জুন ও আগামী জুলাই মাসে কোভ্যাক্সের কোভিড–১৯ টিকায় ঘাটতি দেখা দিতে পারে বলে গত শুক্রবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) সতর্ক করে দিয়েছে। আশঙ্কা সত্যি হলে তা বৈশ্বিক এই টিকাদান কর্মসূচির কার্যকরিতাকে ক্ষুণ্ন করবে।

করোনা মহামারি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা হিসেবে বিশ্বে বিশেষত নিম্ন আয়ের দেশগুলোয় যাতে টিকার সুষম বণ্টন নিশ্চিত হয়, সে লক্ষ্যে কোভ্যাক্স নামের এ কর্মসূচি গ্রহণ করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। ইতিমধ্যে কর্মসূচির আওতায় ১২৯টি দেশ ও অঞ্চলে ৮ কোটি ডোজের বেশি টিকা সরবরাহ করা হয়েছে। কোভ্যাক্সের কর্মকর্তা ব্রুস আইলওয়ার্ড শুক্রবার সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা যে পরিমাণ টিকা চেয়েছি, তা থেকে এখন প্রায় ২০ কোটি ডোজ টিকার ঘাটতিতে আছি।’

ধনী রাষ্ট্রগুলো এ পর্যন্ত প্রায় ১৫ কোটি ডোজ টিকা অনুদান হিসেবে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তা যদি ঠিকঠাক পাওয়াও যায়, তবু টিকার সংকট মিটবে না।

আইলওয়ার্ড বলেন, ‘টিকার আগাম ডোজ না পেলে, আমরা ব্যর্থতার প্রমাণ রাখতে চলেছি। আমরা এখনো ঠিকভাবে এগোতে পারছি না। বিশ্বকে এ সংকট থেকে পরিত্রাণ দিতে আমরা আগাম ভিত্তিতে যথেষ্টসংখ্যক দেশের কাছ থেকে যথেষ্টসংখ্যক ডোজ টিকা দিতে পারছি না।’

কোভ্যাক্সকে অনুদান হিসেবে ১৫ কোটি ডোজ টিকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি এ কর্মসূচিকে ভালোভাবে শুরু করতে দারুণ সহায়তা করেছে। কিন্তু দুটি বড় সমস্যা রয়ে গেছে। প্রথমটি, জুন–জুলাই মেয়াদে প্রতিশ্রুত টিকার পরিমাণ খুব সামান্য। যার অর্থ, আমরা ঘাটতিতে পড়তে যাচ্ছি।’ তিনি বলেন, অপর সমস্যাটি যথেষ্টসংখ্যক মানুষকে সময়মতো টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনা নিয়ে।

দ্বিতীয় সমস্যা প্রসঙ্গে আইলওয়ার্ড বলেন, চলতি বছর বিশ্বের মোট জনসংখ্যার অন্তত ৩০–৪০ শতাংশকে টিকা দেওয়া গেলে আমরা লক্ষ্য অনুযায়ী এগোতে পারব।

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে